লাইভ লোকেশন আপডেট (1)
চাঁদপুর অভিমুখী
২৯২৪/২৯ সাগরিকা কমিউটার সীতাকুণ্ড ছেড়ে গেছে ৮:২৬ মিনিট।
চাঁদপুর অভিমুখী
২৯২৪/২৯ সাগরিকা কমিউটার সীতাকুণ্ড ছেড়ে গেছে ৮:২৬ মিনিট।
✉️ টাইপ TR এবং পাঠিয়ে দিন 16318 নাম্বারে।
📞 বিস্তারিত জানতে 131 এ কল করুন।
📍 লোকেশন: চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম
⏰ ছাড়ার সময়: 07: 40 am
এই রুটের অন্য কোনো ট্রেন খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের প্রধান রেলওয়ে স্টেশনগুলো থেকে ট্রেনের সময়সূচি দেখুন। আগমন, প্রস্থান এবং আপনার যাত্রা পরিকল্পনা করুন।
সব ট্রেন দেখুন →বাংলাদেশের প্রধান রেলওয়ে স্টেশনগুলো থেকে ট্রেনের সময়সূচি দেখুন। আগমন, প্রস্থান এবং আপনার যাত্রা পরিকল্পনা করুন।
সব স্টেশন দেখুন →
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস কোন রুটে চলাচল করে?
উত্তর: সাগরিকা এক্সপ্রেস (২৯–৩০) চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর রুটে চলাচল করে।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস কি ধরনের ট্রেন?
উত্তর: এটি একটি লম্বা দূরত্বের কমিউটার ট্রেন, যা দ্রুত সেবা প্রদানের কারণে এই রুটে জনপ্রিয়।
প্রশ্ন: ট্রেনটি কত কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে?
উত্তর: সাগরিকা এক্সপ্রেস মোট প্রায় ১৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়।
প্রশ্ন: সম্পূর্ণ যাত্রা করতে কত সময় লাগে?
উত্তর: পুরো যাত্রা সম্পন্ন করতে গড়ে ৫ ঘণ্টা ৫ মিনিট সময় লাগে।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস কতটি স্টেশনে বিরতি দেয়?
উত্তর: ট্রেনটি মোট ৩৪টি স্টেশনে বিরতি দেয়।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেসে কি ঘুমানোর ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: না, এই ট্রেনে ঘুমানোর কোনো ব্যবস্থা নেই।
প্রশ্ন: ট্রেনে খাবারের কোন সুবিধা আছে কি?
উত্তর: খাবারের আলাদা কোনো সুবিধা নেই, তবে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য ছোটখাটো দোকান কিছু স্টেশনে পাওয়া যায়।
প্রশ্ন: মালামাল পরিবহনের সুবিধা আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, এই ট্রেনে মালামাল পরিবহন সুবিধা রয়েছে।
প্রশ্ন: ২৯ ও ৩০ নম্বর সাগরিকা এক্সপ্রেসের সময়সূচি কী?
উত্তর: ২৯ নং ট্রেন: চট্টগ্রাম থেকে সকাল ৭:৪০ এ ছাড়ে, চাঁদপুর পৌঁছে ১২:৪৫ এ।
৩০ নং ট্রেন: চাঁদপুর থেকে দুপুর ২:৩০ এ ছাড়ে, চট্টগ্রাম পৌঁছে সন্ধ্যা ৭:২০ এ।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস কোন কোন স্টেশনে থামে?
উত্তর: ট্রেনটি মোট ৩৪টি স্টেশনে বিরতি দেয়, যার মধ্যে প্রধান স্টেশনগুলো হলো—
চট্টগ্রাম জংশন, পাহাড়তলী, ফৌজদারহাট, সীতাকুন্ড, ফেনী জংশন, লাকসাম জংশন এবং চাঁদপুর কোর্ট।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেন কোন রুটে চলাচল করে?
উত্তর: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর রুটে চলাচল করে।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ট্রেন নম্বর কত?
উত্তর: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের নম্বর ২৯ (চট্টগ্রাম → চাঁদপুর) এবং ৩০ (চাঁদপুর → চট্টগ্রাম)।
প্রশ্ন: ২৯ নং সাগরিকা এক্সপ্রেস কখন চট্টগ্রাম থেকে ছাড়ে?
উত্তর: ২৯ নং সাগরিকা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম থেকে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যায়।
প্রশ্ন: ২৯ নং সাগরিকা এক্সপ্রেস কখন চাঁদপুর পৌঁছায়?
উত্তর: ২৯ নং সাগরিকা এক্সপ্রেস দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে চাঁদপুর পৌঁছায়।
প্রশ্ন: ৩০ নং সাগরিকা এক্সপ্রেস কখন চাঁদপুর থেকে ছাড়ে?
উত্তর: ৩০ নং সাগরিকা এক্সপ্রেস চাঁদপুর থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে যায়।
প্রশ্ন: ৩০ নং সাগরিকা এক্সপ্রেস কখন চট্টগ্রাম পৌঁছায়?
উত্তর: ৩০ নং সাগরিকা এক্সপ্রেস সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছায়।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের মোট ভ্রমণ সময় কত?
উত্তর: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের গড় ভ্রমণ সময় প্রায় ৫ ঘণ্টা ৫ মিনিট।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেন মোট কতটি স্টেশনে থামে?
উত্তর: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রাপথে মোট ৩৪টি স্টেশনে বিরতি দেয়।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস চট্টগ্রাম শহরের কোন কোন স্টেশনে থামে?
উত্তর: চট্টগ্রাম জংশন, পাহাড়তলী, কৈবল্যধাম ও ফৌজদারহাট স্টেশনে থামে।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস কুমিরা ও সীতাকুন্ড স্টেশনে থামে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, সাগরিকা এক্সপ্রেস কুমিরা ও সীতাকুন্ড স্টেশনে বিরতি দেয়।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস ফেনী জেলায় কোন কোন স্টেশনে থামে?
উত্তর: ফেনী জংশন, শর্শদি, মুহুরীগঞ্জ ও ফাজিলপুর স্টেশনে থামে।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস লাকসাম জংশনে থামে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, সাগরিকা এক্সপ্রেস লাকসাম জংশন রেলওয়ে স্টেশনে বিরতি দেয়।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস হাজীগঞ্জ ও চাঁদপুর এলাকায় কোন স্টেশনে থামে?
উত্তর: হাজীগঞ্জ, বলাখাল, মধুরোড, শাহতলী, মৈশাদী ও চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে থামে।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে কি ঘুমানোর ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: না, সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে ঘুমানোর ব্যবস্থা নেই, এটি একটি কমিউটার ট্রেন।
প্রশ্ন: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে কী কী সুবিধা পাওয়া যায়?
উত্তর: সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে বসার আসন, মালামাল পরিবহন সুবিধা ও নিরাপদ ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে।